রোগীর তথ্য পাঠাতে সব হাসপাতালে নির্দেশনা
বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা হয়; কিন্তু চিকিৎসাধীন ও মৃত্যু তথ্য কর্তৃপক্ষের কাছে নেই -ডা. জাহিদুর রহমান * দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর অনেক নন-কোভিড হাসপাতাল কোভিড চিকিৎসা দিচ্ছে - ডা. আহমেদ পারভেজ জাবীন
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন কতজন মানুষের মৃত্যু হচ্ছে-এর পূর্ণাঙ্গ হিসাব সরকারের কাছে নেই বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে রাজধানীর ২৯টি হাসপাতালে তথ্য থাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে।
এর সঙ্গে থাকে চট্টগ্রামের ৮টি হাসপাতালের তালিকা। কিন্তু খোদ রাজধানীতেই শতাধিক হাসপাতালে কোভিড রোগীর চিকিৎসা করা হয়। অধিদপ্তর থেকে করোনায় দৈনন্দিন যে মৃত্যুর তথ্য দেওয়া হয়, এর ৯০ শতাংশই ঢাকার।
তাদের আরও অভিমত, বেসরকারি পর্যায়ে শুধু বড় হাসপাতালগুলোই নয়, এলাকাভিত্তিক গড়ে ওঠা হাসপাতালগুলোয়ও করোনা চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি যেসব ক্লিনিকে পরিপূর্ণ চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই, সেখানেও করোনা রোগীদের আইসোলেশন সেবা দেওয়া হচ্ছে।
এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসাধীন অনেক রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে দ্রুত আইসিইউতে (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট/নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) নিতে হবে বলে বের করে দেওয়া হয়।
সময়মতো আইসিইউ না-পেয়ে অনেক রোগীর অ্যাম্বুলেন্সে বা রাস্তায় মৃত্যুর ঘটনা কারও অজানা নয়।
এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে যেসব হাসপাতাল করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছে, তাদের নিবন্ধনের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
তথ্যসূত্র: যুগান্তর

















